সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাংলা আমার নি:শ্বাসে-প্রশ্বাসে” আজ শোকবহ ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস


বুধবার , ১৫ আগস্ট, ২০১৮ at ৭:৫২ পূর্বাহ্ণ
74
আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতিমুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কসর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই কালো দিনে জাতি হারিয়েছে তার গর্বআবহমান বাংলা ও বাঙালির আরাধ্য পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। রক্তঝরা এই দিনটিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারপরিজনসহ নৃশংসভাবে শহীদ হন ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর সড়কের নিজ বাসভবনে। কিছু বিশ্বাসঘাতক রাজনীতিকের চক্রান্ত এবং সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্যের নির্মম বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন প্রাণ হারান তার প্রিয় সহধর্মিণী বেগম শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবতিন ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালসেনা কর্মকর্তা শেখ জামাল ও দশ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল এবং নবপরিণীতা দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল।
মধ্য আগস্টের সেই হত্যাকাণ্ডে আরো প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবু নাসেরভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাততাঁর ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাতমেয়ে বেবী সেরনিয়াবাতশিশুপৌত্র সুকান্ত বাবুবঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনিতার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিনিকটাত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাতআবদুল নঈম খান রিন্টু এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজন নিরাপত্তা কমকর্তা ও কর্মচারী।
বঙ্গবন্ধু দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আজীবন কাজ করেছেন। স্বল্পতম সময়ে শ্রেষ্ঠ বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সংবিধান রচনা করেছেন। শ্রেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞদের দিয়ে প্রথম পঞ্চবর্ষ পরিকল্পনা তৈরি করেছেনযার মূল কথা দারিদ্র দূর।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোআবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিকসাংস্কৃতিকরাজনৈতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এবারও সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে দিবসটির বিভিন্ন কর্মসূচি। দিবসটিকে ইতোমধ্যে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন এবং সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। এছাড়া ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত হবে। পরে ঢাকার বনানী কবরস্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্য ও অন্য শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণফাতেহা পাঠ এবং দোয়া করবেন। সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সারা দেশে মসজিদসমূহে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দিরগির্জাপ্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। দিবসটি যথাযথভাবে পালনে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেই মানুষযিনি বলেছিলেন, ‘ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও বলব আমি বাঙালিবাংলা আমার দেশবাংলা আমার ভাষাবাংলা আমার নিঃশ্বাসেপ্রশ্বাসে।’ তাঁর সেই সাহস ছিলমানুষকে অনুপ্রাণিত করে তুলবার অনমনীয় ব্যক্তিত্বের জোর ছিল। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে উঠবার আগেই তিনি এই নামটির সঙ্গে নিজের অস্তিত্ব এক করেছিলেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচিত হতে পারে না। এই অর্থে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন।
বঙ্গবন্ধু ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন। শক্তিস্বাস্থ্যপুষ্টিনারীমুক্তিশ্রমিক স্বার্থকত কিছুই না তার ভাবনায় ছিল। তিনি ইতিহাস ও সংস্কৃতি পাঠকে গুরুত্ব দিতেন। পাকিস্তানে আন্দোলন করেছেনআবার পাকিস্তান অর্জনের মাত্র ৭ বছর পর ১৯৫৪ সালে বাঙালির রাজনীতির রূপরেখা সামনে নিয়ে আসায় অবদান রাখেন।
স্থানীয় চিন্তার সাথে বৈশ্বিক চিন্তার মেলবন্ধন ঘটাতেন বঙ্গবন্ধু। ‘বিশ্বামানব হবি যদিকায়মনে বাঙালি হ।’ এ কথা তিনি ধারণ করতেন। শৈশব থেকে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন সবসময় কাজ করে গেছেন সাধারণ মানুষের ভাগ্য বদলাতে। ডেভিড ফ্রস্টারের প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেনআমার একমাত্র যোগ্যতা মানুষকে ভালোবাসতে পারা। সবচেয়ে বড় দুর্বলতার উত্তর ছিল তাই।
পাকিস্তানের মূল দ্বন্দ্ব ছিল শাসকরা গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে অস্বীকার করেছিল। ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো একজন নেতা ১৯৭০ সালে জনগণের কাছে যাওয়ার সুযোগ পেলেন। তিনি জনগণকে বুঝালেন স্বশাসনের কথা। তিনি বলেছিলেনদুঃখী মানুষেরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাদের জন্য কিছু করতে হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামে তারাই সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরিয়েছে। তারা আপসের কথা ভাবেনি। দুঃখী মানুষের মুক্তিই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল বিষয়।
বঙ্গবন্ধু চেয়েছেন গরিব মানুষের গণতন্ত্র। সমাজতন্ত্র চেয়েছেন বাংলাদশের ধাঁচে। তিনি বলতেনব্যক্তিমালিকানাসমবায় ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাক্ষেতমজুরকৃষকরা সমবায়ে যোগ দেবে। রাষ্ট্র কৃষিকাজে সহায়তা দেবে। জমির মালিককৃষক যার যার মতো ফসলের ভাগ পাবে। তিনি প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের কথা বলেছেন। এসব যাতে সফল না হয় সেজন্যই তাকে হত্যা করা হয়।
কেমন ছিল তাঁর নীতি ও আদর্শপ্রথিতযশা সমাজবিজ্ঞানী ডঅনুপম সেন আজাদীকে বলেননীতি ও আদর্শের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন ইস্পাত কঠিন। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র চিন্তাজুড়ে ছিল দেশ ও দেশের মানুষ। সুদৃঢ় সংকল্প বোধ নিয়েই তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ গঠনে অগ্রসর হয়েছিলেন। কিন্তু জাতীয়আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে খুনিচক্র তাঁকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবেন না বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রসঙ্গে অনুপম সেন বলেন৭ মার্চের ভাষণেই তাঁর পুরো দর্শন ফুটে উঠেছে। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেছেন কীভাবে দিনের পর দিন বাঙালি শোষিত হয়েছেকীভাবে পাকিস্তান বাঙালিকে শোষণ করছে। তিনি বলেছেনআমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই নাআমি মানুষের অধিকার চাই। এই অধিকার বলতে তিনি মানুষের মুক্তি চেয়েছেন। সংবিধানের চার মূলনীতিতে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছেবাঙালি জাতীয়তাবাদগণতন্ত্রসমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। তিনি বলেছেনআমি শোষকের গণতন্ত্র চাই নাশোষিতের গণতন্ত্র চাই। আমি আমার দেশের মতো করেই সমাজতন্ত্র কায়েম দেখতে চাই।
অনুপম সেন বলেনবঙ্গবন্ধু চেয়েছেন মানুষ যেন মানুষের অধিকার নিয়ে মানুষের মর্যাদায় বেঁচে থাকতে পারে। আর তার জন্য অবশ্যই শিক্ষাস্বাস্থ্যসংস্কৃতির অধিকার থাকতে হবে। সেই অধিকার আজও বাস্তবায়িত হয়নি। তার মানে এটা নয় যেবাস্তবায়নের কোনো চেষ্টা চলছে না। বাংলাদেশে চেষ্টা চলছে। যেমন খাদ্য নিরাপত্তা দিতে পারছে বাংলাদেশ। এটা ধরে রাখতে হবে। জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে। শোষিতের গণতন্ত্র অর্জন করতে হবে। সংসদে আমাদের প্রতিনিধিত্ব যারা করেন তারা কি শোষিতের কথা বলেনআমি ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি তিনি খুব সিনসিয়ার। কিন্তু তার আশপাশের মানুষগুলো কি তার মতোবর্তমানে দেশে প্রতিক্রিয়াশীলতা একটা বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাদের প্রতিনিয়ত লালনপালন করে চলেছে। এ অবস্থায় আমাদের থেমে গেলে চলবে না। সম্মিলিতভাবে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। একদিন সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য বাস্তবায়িত হবেই। সেদিন হয়ত আমি থাকব নাকিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশকে নিয়ে গর্ব করবে।
বঙ্গবন্ধুর সেই সোনার বাংলার স্বপ্ন কতটা পূর্ণতা পেয়েছে জানতে চাইলে এ প্রবীণ সমাজবিজ্ঞানী বলেনতিনি নিজেও চাটুকারদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই চাটুকারের দল যাতে শেখ হাসিনার চাটুকারে পরিণত না হয় তার প্রতি নজর রাখতে হবে। প্রবৃদ্ধির সঙ্গে চাই সম্পদের সুষম বণ্টন। আমাদের অগ্রগতি আছে। ১৯৭২ সালে সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে সাড়ে পাঁচ কোটি ছিল দারিদ্র্যসীমার নিচে। এখন ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে চার কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে। তবে বৈষম্য বাড়ছে। তারপরও বলবকম আয়ের লোকেরা আগের চেয়ে ভালো আছে। শেখ হাসিনার অনেক কর্মসূচি আছে গরিবের জন্য। সামাজিক সুরক্ষাবলয় ফল দিতে শুরু করেছে। স্বাধীনতার সময় নারীদের মাত্র ৪ শতাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল। এখন তা ৪০ শতাংশ। এসব সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার জন্য। দেশ বিশ্ব সমাজে মর্যাদার আসন ফিরে পেতে শুরু করেছে। বিশ্বের তিনটি বড় অর্থনীতির দেশ ভারতচীন ও জাপান বাংলাদেশের পাশে আছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। একটু একটু জীবনমান উন্নত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়াই সমস্যা। তিনি মানুষকে কীভাবে দেখতেন তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। উদার চিন্তার মানুষ ছিলেন তিনি। শুধু অর্জন নয়ভোগ নয়দেশকে দিতে হবে।
অনুপম সেন বলেনস্বাধীন এ জাতিকে দেশিবিদেশি কুচক্রী মহল বহুবার পরাধীনতার নাগপাশে বন্দী করতে চেয়েছে। সফল হয়নি। পিছু হটে ফের নতুন কোনো ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে তারা। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রই দাবিয়ে রাখতে পারবে না বাঙালি জাতিকে। কারণ আমাদের আছেন একজন শেখ মুজিব। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সপরিবারে তাকে হত্যা করে সেই কুচক্রী মহলটি ভেবেছিল ইতিহাসের পাতা থেকে শেখ মুজিবের নাম নিশানা মুছে দেবে। পারেনি তারা। যিনি নিজেই ইতিহাসযাঁর অমর কীর্তি গাঁথায় সমৃদ্ধ বাঙালি জাতির ইতিহাস। তাকে মুছে ফেলবেএমন সাধ্য কারবঙ্গবন্ধুস্বাধীনতাবাংলাদেশ একই সুতোয় গাঁথা। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তিনি বেঁচে থাকবেনপ্রেরণা যুগিয়ে যাবেন আমাদের।
এদিকে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ বিচারের হাত থেকে খুনিদের রক্ষা করতে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটিকে আইন হিসেবে অনুমোদন করেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ একুশ বছর পর ক্ষমতায় এলে ১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তিন প্রধান আসামি লেকর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমানসুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর মামলার রায়ে বিচারক কাজী গোলাম রসুল ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাই কোর্ট বেঞ্চ ২৪ দিনের শুনানি শেষে বিভক্ত রায় প্রদান করে।
২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর ২৯ দিনের শুনানির পর চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষ হয় এবং আদালত ১৯ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। ওই দিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে হাই কোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের রিভিউ খারিজ হয়ে গেলে ২৮ জানুয়ারি ৫ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করে জাতিকে দায়মুক্ত করা হয়।

জনপ্রিয়

আধুনিকরন করাহচ্ছে বাংলাদেশ আনসার বাহিনীকে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, আনসার বাহিনীর সুযোগ-সুবিধা আরো বৃদ্ধিসহ সময়োপযোগী আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব এবং এ বিষয়ে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য বেগম পিনু খানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬০ লাখ ৫৪ হাজার ৭০৩ জন। যার মধ্যে ব্যাটালিয়ন আনসার (স্থায়ী ও অস্থায়ী) সদস্য ১৬ হাজার ১৯৪ জন (পুরুষ ও মহিলা), স্বেচ্ছাসেবী সাধারণ আনসার সদস্য ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩০১ জন (পুরুষ ও মহিলা), স্বেচ্ছাসেবী ভিডিপি সদস্য ৫৮ লাখ ১ হাজার ১০৪ জন (পুরুষ ও মহিলা) এবং স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী ৪ হাজার ১০৪ জন। তিনি বলেন, এ বাহিনীর ১৪ জন কর্মকর্তাকে সম্প্রতি তুরস্কের জেন্ডারমারী ফোর্সের মাধ্যমে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরো কর্মকর্তাকে অনুরূপ প্রশিক্ষণ প্রদানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি আনসার বাহিনীর অস্থায়ী ব্যাটালিয়ন আনসার, অঙ্গীভূত আনসার, হিল আনসার, হিল ভিডিপি ও ...

বাংলাদেশ আনসার বাহিনীই একমাত্র সেরা বাহিনী,কেন সেরা বাহিনী এক নজরে দেখে নিন।

আনসার ও গ্রামরক্ষী বাহিনী গ্রামাঞ্চলে নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় সহায়তা দান এবং দেশের আর্থসামাজিক পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে গঠিত সরকার স্বীকৃত একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর নতুন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর দেশাস্তরণের ফলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। এমতাবস্থায় পূর্ববঙ্গ সরকার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্দেশ্যে একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। তদনুসারে পূর্ববঙ্গ আইনসভায় আনসার আইন ১৯৪৮ পাস হয়। এর পরই আনসার বিধিমালা (১৯৪৮) নামে প্রয়োজনীয় বিধি জারি করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত আনসারদের এ সংগঠনটি জাতীয় সার্ভিস বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৭৩ সালে এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে আসে। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার) নামে একটি পৃথক ক্যাডার গঠন করা হয়। ১৯৪৮ সাল থেকে আনসাররা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ স্থানীয় অবকাঠোমো নির্মাণে সম্পদ সংগ্রহের কাজেও সহায়তা করছে। পাকিস্তান আমলের প্রথমদিকে থানা ও পুলিশের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখ...

বর্তমান মহাপরিচালক মহোদয়ের জীবন বৃত্তান্ত

স্টাফঃ    এ,কে,আজাদ ★★★★ ♥মহাপরিচালক♥♥♥ বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। আমাদে সাথে থাকতে পেজটিতে লাইক দিন-  https://facebook.com/bdansarbahini/ মহাপরিচালক বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী  ★★মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ, এনডিসি, পিএসসি, জি ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। মেজর জেনারেল কায়কোবাদ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগদানের পূর্বে তিনি মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে এসডিএস (সেনাবাহিনী) পদে দায়িত্বরত ছিলেন। মেজর জেনারেল কায়কোবাদ ১৯৬৪ সালের ০১ আগস্ট তারিখে ঢাকা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা কলেজে অধ্যয়ন শেষে তিনি ১১তম বিএমএ লং কোর্সে অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৪ সালের ২১ ডিসেম্বর তারিখে কমিশন প্রাপ্ত হন। মেজর জেনারেল কায়কোবাদ এসএসসিতে ঢাকা বোর্ডে ৫ম স্থান এবং এইচএসসিতেও একই বোর্ড থেকে ১১তম স্থান অধিকার করেন। কমিশন লাভের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরের ০২ ফিল্ড রেজিম...

বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন আনসারে অনলাইনে আবেদন করুন, দেশ ও জননীরাপত্তায় যোগদান করুন

এ,কে,আজাদ,,, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি বাংলাদেশ আনসার তথ্য সেবা কেন্দ্র।  ব্যাটালিয়ন আনসার নিয়োগের অনলাইনে আবেদন ব্যাটালিয়ন আনসারে যোগ দিন, দেশ সেবা ও জননিরাপত্তায় অংশ নিন অনলাইনে আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন আবেদনের আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি ভালো ভাবে পড়ুন নিয়োগ   বিজ্ঞপ্তি ১।       বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সুশৃঙ্খল, দৰ ও কর্মঠ  ‘ব্যাটালিয়ন   আনসার’  সদস্যগণ পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে অপারেশন উত্তরণ এবং সমতল এলাকায় রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বিধানসহ অন্যান্য বাহিনীর সাথে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকে। ২।       বাহিনীর ১০০০টি অস্থায়ী ব্যাটালিয়ন আনসারের শূন্য পদ (শুধুমাত্র পুরুষ) পূরণের লক্ষে আগ্রহী বাংলাদেশী পুরুষ প্রার্থীদের নিকট থেকে আবেদন আহ্বান করা যাচ্ছে। প্রার্থীদেরকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। নিম্নছকে বর্ণিত জেলাসমূহের পাশে উল্লেখিত শূন্য কোটায় বাছাই ও অংগীভূত করা হবে। উল্লেখ্য, নিয়োগকৃত ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদেরকে ০৬ (ছয়) বছ...

সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে যোগ দিন,দেশ সেবা ও জন নিরাপত্তা অংশ নিন

  এ,কে,আজাদ  ♥♥♥ বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি বাহিনী বেকার মুক্ত দেশ গোড়ার শপথ নিয়েছেন। তাই পরিবর্তনে চাই অংগীকারবদ্ধ বাংলাদেশ  আনসার ও ভিডিপি বাহিনী দেশে কোন বেকার থাকবেনা। প্রতিটি ঘরে ঘরে আনসার ও ভিডিপির বাহিনীর সদস্য থাকবে। তাই সাথে থাকুন _ বাংলাদেশ আনসার তথ্য সেবা কেন্দ্র।  Ansar VDP Job Circular 2018 has been published by the authority. Maximum, people want to like to work in government sector. This job circular has been created a huge chance unemployed people who are interested in Govt. Job in Bangladesh. It’s an attractive job circular in 2018. To get Ansar VDP Job Circular related all information,you can visit my website that is  shadhinbangla26.blogspot.com Bangladesh Ansar VDP think that young and energetic people is the key to success in this sector. This department help’s us to solve social government. Maximum people want to join in government sector,Because government service can ensure better life. This Ansar VDP Job Circular 2018 has been...

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহন

মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন, এসজিপি, এএফ মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন, এসজিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি গত ২৪ মে ২০১৭ তারিখেবাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। মেজর জেনারেল পাশা ২০১৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী তারিখে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগদানের পূর্বে তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, মিরপুর, সেনানিবাসে দায়িত্বরত ছিলেন। মেজর জেনারেল পাশা ১৯৬৭ সালের ২০ নভেম্বর তারিখে ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে অধ্যয়ন শেষে তিনি ১৬তম বিএমএ লং কোর্সে অংশগ্রহণ করে ১৯৮৭ সালের ২৬ জুন কমিশনপ্রাপ্ত হন। কুমিল্লা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান লাভের স্বীকৃত স্বরূপ তাকে চ্যান্সেলরস এওয়ার্ডে ভূষিত করা হয় এবং বিএমএতে একাডেমিক বিষয়ে কোর্সে সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য তিনি ওসমানী স্বর্ণপদক লাভ করেন। কমিশনের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরের ৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারিতে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স (বিএসসি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আই...

বাংলাদেশ আনসার বাহিনীতে যোগদিন দেশ সেবায় এগিয়ে আসুন।

        দুর্নীতি মুক্ত এ বাহিনী এ,কে,আজাদ বাংলাদেশ  আনসার ভিডিপি নিয়োগ ২০১৮-ansar vdp circular 2018 প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আনসার বাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী।মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন হলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী নিয়োগ ২০১৮  বা Bangladesh Ansar and Village Defence Party এর সদর দপ্তর,খিলগাঁও, ঢাকাতে অবস্থিত। ১৯৪৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আনসার ভিডিপি বাহিনী প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সকল সরকারি বেসরকারি চাকরির খবর  পাবেন সবার আগে বার এই এক পেজে ।  সরকারি চাকরি প্রার্থীর জন্য চলমান বিশেষ সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  বা চাকরির খবর যা  এর  সরকারি জব সার্কুলার   ইঞ্জিনিয়ারিং  জব ক্যাটাগরি তো আছেই ।  চাকরি পেতে দেরি না করে আজই এপ্লিকেশন করুন।  আনসার ভিডিপি নিয়োগ ২০১৮ – ansar vdp circular 2018  নিচে দেখুনঃ- আনসার ভিডিপি নিয়োগ ২০১৮-ansar vdp circular ...

বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর অঙিভুক্ত সদস্যদের জন্য সুখবর

>>>>>>  🎆Å ২০১৪ সালে যে সকল পিসি, এপিসি এবং আনসার অ-অংগীভূত হয়েছিল তারা জেলায় প্রেরিত প্যানেল ডকুমেন্ট অনু সারে অংগীভূত হয়েছিল। সে সময় মোবাইল ফোনে অফার যাওয়া শুরু হয়নি। ২০১৪ সালে অংগীভূত পিসি, এপিসি ও আনসারগণ ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন গার্ড হতে মেয়াদান্তে অ-অঙ্গীভূত হয়ে প্যানেলে এসেছে এবং আসছে। কিন্তু লক্ষণীয়ভাবে দেখা যাচ্ছে যে, প্যানেলে আসা এবং সদ্য অফার পাওয়া এ সময়ের অনেক পিসি, এপিসি এবং আনসারের মোবাইল নম্বরটি সঠিক নেই। পরীক্ষামূলকভাবে ফোন করে দেখা যাচ্ছে অনেকের মোবাইল নম্বরই সঠিক নয়। ফোন নম্বরটি অন্যের অথবা অচল। যে কারণে অফার যাওয়া সত্বেও তারা বুঝতে পারছে না যে তার আইডিতে অফার যাচ্ছে কিনা। ইতিমধ্যে বেশ কিছু আইডি 'তিনবার অফার প্রত্যাখ্যান' জনিত কারণে ব্লকড হয়ে গেছে এবং প্রতিদিনই হচ্ছে। তারা কিন্তু সবাই চাকুরী প্রত্যাশী । তাই এ রকম সবার জন্য পরামর্শ হচ্ছে নিজের মোবাইল নম্বরটা সিস্টেমে ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নেওয়া। কি ভাবে পরীক্ষা করবেঃ ক. যে নম্বরটি একখ ব্যবহার হচ্ছে সে নম্বর থেকে Message option এ গিয়ে S লিখ...

সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের চুড়ান্ত ফলাফল(২য় ধাপ) ২০১৮-২০১৯

🔝এ,কে,আজাদ  ৷ https://facebook.com/bdansarbahini/ মহাপরিচালক  সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের চুড়ান্ত ফলাফল (২য় ধাপ) ২০১৮-২০১৯ অভিনন্দন ! সাধারণ আনসার প্রশিক্ষণার্থি হিসেবে যারা চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন  তাদের প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হবে বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি একাডেমীতে  ০৭ অক্টোবর  ২০১৮খ্রি. তারিখ থেকে। ০৭ অক্টোবর ২০১৮খ্রি:  তারিখের মধ্যেই একাডেমীতে উপস্থিত হতে হবে। বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি একাডেমী গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার শফিপুরের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত। একাডেমীতে আসার সময় অনলাইনে আবেদনকালে প্রাপ্ত প্রবেশ পত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষা সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ভিডিপি সনদ(যাদের আছে) ইত্যাদি কাগজপত্রের মূলকপি সঙ্গে নিয়ে আসবেন।  বিভাগ ও জেলার নাম চুড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের ফলাফল মন্তব্য ক্রমিক জেলা ফলাফল দেখতে ‘নির্বাচিত’র উপর ক্লিক করুণ রাজশাহী রেঞ্জ ১ রাজশাহী নির্বাচিত ২ চাপাই নবাবগঞ্জ নির্বাচিত ৩ নাটোর নির্বাচিত ৪ বগুড়া নির্বাচিত ৫ পাবনা নির্বাচিত ৬ সিরাজগঞ্জ ন...

বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর চাকরী ৬বছরই স্থায়ী করা হবে।

আগামীতে ছয় বছরেই আনসার সদস্যদের চাকুরি স্থায়ী করা হবে। বর্তমানে ৯ বছরে চাকরি স্থায়ী করার বিধান রয়েছে। ওই বিধান পরিবর্তন করতে আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ব্যাটালিয়ন আনসার (সংশোধন) আইন-২০১৭ নামের একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে এসংক্রান্ত বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। গত ৯ জানুয়ারী মন্ত্রীসভার বৈঠকে বিলটি নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আনসার ও ভিডিপি সংগঠনে মোট পদের সংখ্যা ১৫ হাজার ৭৬৪টি। বিদ্যমান আইনের ৬ (ক) ধারার বিধান বলে ১৪ হাজার ৫৩২টি পদ পুরণ করা সম্ভব হয়েছে। এখনো এক হাজার ২৩২টি পদ শূন্য রয়েছে। আরো বলা হয়, আইনের ৬ (ক) ধারায় ৯ বছরে চাকরি স্থায়ী করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দুই বছরে চাকরি স্থায়ী করার বিধান রয়েছে। এই অবস্থায় শুন্য পদ পুরণে ৬ বছরে আনসার সদস্যদের চা...